Responsive Ads Here
Notice লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Notice লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০১৫

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য আলাদা আলাদা তারিখ নির্ধারণ করেছে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের সংগঠন ‘বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ’। আজ বুধবার রাতে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের স্ট্যান্ডিং কমিটির সভায় ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঠিক করা হয়।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে বর্তমানে ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।

এ বিষয়ে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কয়েক দিনের মধ্যেই সবগুলো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ চুড়ান্ত করা হবে। এ ছাড়াও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত অষ্টম বেতন স্কেলে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মর্যাদার ‘অবনমন’ করায় উপাচার্যরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

জানা গেছে, এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের অ্যাকাডেমিক কমিটিতে ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঠিক করে তা অনুমোদনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের কাছে পাঠায়।

সম্ভাব্য ভর্তি পরীক্ষার তারিখ:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: ৯, ১০, ১৬, ১৭ ও ৩০ অক্টোবর এবং ৬ নভেম্বর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়: ৯ থেকে ১২ নভেম্বর
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: ১ থেকে ৯ নভেম্বর
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়: ২৫ অক্টোবর থেকে ৫ নভেম্বর
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়: ঠিক হয়নি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়: ১৫ থেকে ১৯ নভেম্বর
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস: ২৩, ২৪, ৩০ ও ৩১ অক্টোবর
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়: ৪ ও ৫ ডিসেম্বর
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়: ৯-১২ নভেম্বর
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়: ২৭ ও ২৮ নভেম্বর
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়: ৪, ৫ ও ৬ ডিসেম্বর
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়: ১১ ও ১২ ডিসেম্বর
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয: ১ অক্টোবর
প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়:-
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়: ১০ বা ১৭ অক্টোবর
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: ৩১ অক্টোবর
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: ১৪ নভেম্বর
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: ৬ নভেম্বর
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়: ২০ অথবা ২৭ নভেম্বর
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়:-
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাজীপুর): ১৪ নভেম্বর
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ): ৫ ডিসেম্বর
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাকা): ১৮ ডিসেম্বর
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: ২৮ নভেম্বর
চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়: ৭ নভেম্বর
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: ১৩ নভেম্বর
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: ৩০ নভেম্বর এবং ১ থেকে ৩ ডিসেম্বর
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: ১৪ নভেম্বর
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: ২০ ও ২১ নভেম্বর
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: ঠিক হয়নি
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: টাঙ্গাইল ২৭ ও ২৮ নভেম্বর
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: ২০ ও ২১ নভেম্বর

স্নাতক-স্নাতকোত্তর কলেজ থাকবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে : প্রধানমন্ত্রী

স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করতে তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি বেসরকারি কলেজগুলোকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আনা উচিৎ বলে মত প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নতুন চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান ও কমিশনের সদস্যরা বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে শেখ হাসিনা এই মত প্রকাশ করেন।
পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান।

তিনি বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৫ হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষাগ্রহণের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী সরকারি কলেজগুলোকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় নিয়ে আসার কথা বলেছেন।... তবে বেসরকারি কলেজগুলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনেই থাকবে।”

এতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর থেকে চাপ কমবে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আগে দেশের সব ডিগ্রি কলেজ ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত হত। ১৯৯২ সালে সরকারি কলেজগুলো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়।

গত বছরের শেষ দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে এসে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ২৭৯টি সরকারি কলেজকে বিভাগীয় পর্যায়ের পুরনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীভুক্ত করার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বর্তমানে দুই হাজার ১৫৪টি কলেজে ২০ লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন।
ইহসানুল করিম বলেন, ওই নির্দেশনা কার্যকর হলে ঢাকার স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের সরকারি কলেজগুলো আবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় আসবে।

প্রধানমন্ত্রী শিক্ষকদের কর্মদক্ষতা পর্যবেক্ষণ করার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেছেন বলে প্রেস সচিব জানান।
সাক্ষাতের শুরুতেই অধ্যাপক আবদুল মান্নান মঞ্জুরি কমিশনের কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

অধ্যাপক মান্নান এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তখন ছয়টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ছিল। এখন সারাদেশে পাবলিক ও বেসরকারি মিলিয়ে ১২১টি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৩০ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে।

শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে ২৪ কোটি ডলারের আর্থিক সহায়তা চুক্তি হওয়ার বিষয়টিও প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা ১৭ জেলায় ২৮ আগস্ট

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য দ্বিতীয় দফায় ১৭ জেলায় লিখিত আগামী ২৮ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। ২৮ আগস্ট শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে এক ঘণ্টা ২০ মিনিট এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

দ্বিতীয় দফায় যে জেলা গুলোতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবেঃ জয়পুরহাট, চুয়াডাঙ্গা, মাগুরা, শেরপুর, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, লক্ষ্মীপুর, কক্সবাজার, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, ভোলা, পঞ্চগড় ও বাগেরহাট।
১৭ জেলায় মোট পরীক্ষার্থীঃ ১ লাখ ৫০ হাজার ৭৬৫ জন পরীক্ষার্থী ২য় দফায় অংশ নেবেন ।
১ম দফায় যে জেলা গুলোতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিলোঃ প্রথম দফায় গত ২৭ জুন নড়াইল, মেহেরপুর, মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর ও ফেনী জেলায় এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
১ম দফার ফলাফলঃ প্রথম দফার পরীক্ষার ফলাফল যেকোনো দিন ঘোষণা করা হবে । প্রকাশ হওয়ার পর উক্ত ফলাফল এখান থেকেও দেখা যাবে। প্রবেশপত্র ডাউনলোডঃ পরীক্ষার এক সপ্তাহ আগে ওয়েবসাইট থেকে প্রার্থীরা প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

পরীক্ষা পদ্ধতিঃ প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে এবারই প্রথম ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও বিতরণ করে পর্যায়ক্রমে পরীক্ষা গ্রহণ করা হচ্ছে।
পরীক্ষার ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশনা এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য www.dpe.gov.bd ওয়েবসাইটের পাশাপাশি লেখাপড়াবিডি.কম তেও পাওয়া যাবে।
গত বছরের ১০ ডিসেম্বর প্রাক-প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৩) আওতায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর, যার আওতায় প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
আদালতের রায়ে স্থগিত থাকা আরেকটি বিজ্ঞপ্তির আওতায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার বিষয়ে রিভিউ করা হবে বলে গণমাধ্যমে জানিয়েছেন মন্ত্রনালয়ের এক কর্মকর্তা।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের আবেদন প্রক্রিয়া গত ১৩ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখ থেকে থেকে শুরু হয়ে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত চলে। আবেদন ফি ধার্য করা হয় ১৬৬ টাকা ৫০ পয়সা।
গত ১০ ডিসেম্বর বুধবার এই সঙ্ক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অধীনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৩) আওতায় অস্থায়ীভাবে প্রায় ১৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ছাড়া সারা দেশ থেকে এ পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করার সুযোগ পায় প্রার্থীরা।

প্রবেশপত্র ডাউনলোড করুন এই এই লিঙ্ক থেকে।

(২)     এ বিজ্ঞপ্তির অধীনে আগ্রহী প্রার্থীগণকে অনলাইনে দরখাস্ত করতে হবে। সে লক্ষ্যে এই লিঙ্কে ক্লিক করলে একটি আবেদন ফরম পাওয়া যাবে। লিংকে প্রবেশ করে সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা মোতাবেক অনলাইন আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। Online-এ আবেদনপত্র পূরণ করে Submit করার পর Application Copy প্রিন্ট করতে পারবে। Application Form  প্রিন্ট করার পর প্রয়োজনে একাধিকবার পড়ে নিতে হবে। যদি Application -এ কোন সংশোধনি থাকে তবে তাকে পুনরায় Application Form পূরণ করতে হবে। ত্র“টিপূর্ণ Application-এ কোন অবস্থাতেই SMS এর মাধ্যমে আবেদন ফি জমা দেয়া উচিত হবে না। একবার আবেদন ফি জমা দেয়ার পর Application Form- কোন অবস্থাতেই সংশোধন বা প্রত্যাহার করা যাবে না। সঠিকভাবে পূরণকৃত Application Copy এর User ID দিয়ে আবেদন ফি জমা দিতে হবে।
(৩)    অনলাইনে আবেদন ফি গ্রহণ শুরুর তারিখ- ১৩ ডিসেম্বর ২০১৪ (সকাল- ১০:৩০মিনিটি), শেষ তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০১৫ (রাত-১১:৫৯ মিনিট)।
(৪)       কেবলমাত্র User ID প্রাপ্ত প্রার্থীগন উক্ত সময় পরবর্তী ৭২ ঘন্টা পর্যন্ত SMS-এ ফি প্রদান করতে পারবেন। আবেদনকারীকে ১টি USER ID এবং Password দেয়া হবে। উক্ত USER ID এবং Password সব সময়ের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে।
(৫)    অনলাইনে আবেদন দাখিলের পর SMS-এ অবশ্যই ফি প্রদান করতে হবে। ফি প্রদানের পরই কেবল আবেদনটি চূড়ান্তভাবে গৃহিত হয়েছে বলে গণ্য হবে।
(৬)    পরবর্তীতে লিখিত পরীক্ষার ব্যবস্থাদি চূড়ান্ত করার পর প্রত্যেক যোগ্য আবেদনকারীকে SMS-এর মাধ্যমে জানানো হবে এবং তিনি উপরোক্ত ওয়েবসাইটের লিংক ব্যবহার করে পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। USER ID এবং Password সহ অন্যান্য তথ্য পুন: উদ্ধারের জন্য উক্ত লিংকে প্রার্থীর নিজস্ব তথ্য দিয়ে উদ্ধার করা যাবে।
(৭)    আবেদনকারী যে উপজেলা/থানার স্থায়ী বাসিন্দা তাঁর প্রার্থিতা উক্ত উপজেলা/থানার জন্য বা অনুকূলে নির্ধারিত থাকবে এবং তাঁর নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম তদনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হবে।
(৮)    প্রচলিত কোটানীতি অনুসরণপূর্বক মেধাক্রমানুসারে (উপজেলা/থানাওয়ারী) তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচী (পিইডিপি-৩) এর আওতায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার জন্য সৃষ্ট পদসমূহে ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত করে নিয়োগ দানের ব্যবস্থা নেয়া হবে।
(৯)    বিবাহিতা মহিলা প্রার্থীগণ দরখাস্তে তাঁদের স্বামী অথবা পিতার স্থায়ী ঠিকানায় দরখাস্ত করতে পারবেন। তবে এ দু’টি স্থায়ী ঠিকানার মধ্যে তিনি যেটি দরখাস্তে উল্লেখ করবেন তাঁর প্রার্থিতা সেই উপজেলা/থানার কোটায় বিবেচিত হবে। মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র কন্যা এবং পুত্র কন্যার পুত্র কন্যা মুক্তিযোদ্ধার সšতান কোটায় বিবেচিত হবেন;
(১০)    প্রার্থীকে পরীক্ষার ফি বাবদ অফেরতযোগ্য সার্ভিস চার্জসহ ১৬৬.৫০/- (একশত ছিষট্টি টাকা পঞ্চাশ পয়সা) টাকা যেকোন টেলিটক মোবাইল নম্বর হতে SMS-এর মাধ্যমে যথাসময়ে প্রেরণ করতে হবে।
(১১)    ১২ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বৎসরের মধ্যে হতে হবে। তবে শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধার পুত্র-কন্যা ও প্রতিবন্ধীর ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩২ বৎসর হবে। বয়স নিরূপণের ক্ষেত্রে এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়।
(১২)    অসত্য/ভুয়া তথ্য সংবলিত/ক্রটিপূর্ণ/অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র কোন কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে বাতিল বলে গণ্য হবে। প্রার্থী কর্তৃক দাখিলকৃত/প্রদত্ত কোন তথ্য বা কাগজপত্র নিয়োগ কার্যক্রম চলাকালে যে কোনো পর্যায়ে বা নিয়োগপ্রাপ্তির পরেও অসত্য/ভুয়া প্রমাণিত হলে তাঁর দরখাস্ত/নির্বাচন/নিয়োগ বাতিল করা হবে এবং মিথ্যা/ভুয়া তথ্য সরবরাহ করার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত/প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
(১৩)    প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর নিুবর্ণিত কাগজপত্রাদির অনুলিপি ১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত করে সংযুক্ত  করে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে:
(ক)     শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কিত সকল প্রকার মূল/সাময়িক সনদপত্র;
(খ)     সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/পৌরসভার মেয়র/সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর কতৃক প্রদত্ত নাগরিক সনদপত্র;
(গ)     মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদনকারী প্রার্থীর ক্ষেত্রে সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুসারে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের পিতা/মাতা অথবা পিতা/মাতার পিতা/মাতা এর মুক্তিযোদ্ধা সনদপত্র;
(ঘ)     প্রার্থীর সাথে মুক্তিযোদ্ধার সম্পর্ক উল্লেখপূর্বক প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা অথবা সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভার মেয়র/সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র;
(ঙ)     এতিম প্রার্থীর ক্ষেত্রে সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক রেজিস্ট্রিকৃত এতিমখানা/শিশুসদন কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র;
(চ)     প্রতিবন্ধী প্রার্থীর ক্ষেত্রে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র;
(ছ)     পোষ্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক সদ্য (১৩ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখের পূর্বে স্বাক্ষরিত নয়) প্রদত্ত পোষ্য সনদপত্র;
(জ)     আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য
এ মর্মে জেলা আনসার অ্যাডজুট্যান্ট কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র;
(ঝ)    উপজাতীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্র্তা কর্তৃক প্রদত্ত উপজাতীয় পরিচয় বিষয়ক সনদপত্র;
(ঞ)    লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি;
(১৪)     উপরোক্ত তথ্যাদি মোতাবেক প্রাথমিক বাছাইয়ের পর কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় কেবলমাত্র যোগ্য প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট জেলায় নির্ধারিত তারিখে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের অনুমতি দেয়া হবে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোনো প্রকার টিএ-ডিএ প্রদান করা হবে না।
(১৫)    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন ‘সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৩’-এ বর্ণিত নিয়মানুযায়ী মেধা ও কোটা অনুসারে নিয়োগ দেয়া হবে। সে অনুযায়ী নির্বাচিত প্রার্থীকে যে উপজেলা/থানায় নিয়োগ দেয়া হবে তাঁকে আবশ্যিকভাবে সে উপজেলা/থানায় চাকুরি করতে হবে।
(১৬)    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৩-এর কোটা পদ্ধতির ব্যাখ্যা অনুযায়ী ‘পোষ্য’ অর্থ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক/প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োজিত আছেন বা ছিলেন এমন শিক্ষকের অবিবাহিত সন্তান, যিনি উক্ত শিক্ষকের উপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল আছেন বা তিনি জীবিত থাকিলে বা চাকুরিতে থাকিলে সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল থাকিতেন এবং উক্ত শিক্ষকের বিধবা স্ত্রী বা বিপতœীক  স¦ামী বা তালাকপ্রাপ্তা কন্যা (যেক্ষেত্রে যেটি প্রযোজ্য) যিনি  উক্ত  শিক্ষকের  উপর  সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল ছিলেন বা ক্ষেত্রমত, তিনি জীবিত  থাকিলে   অনুরূপভাবে নির্ভরশীল   থাকিতেন। মৌখিক  পরীক্ষার সময়  পোষ্য   প্রার্থীদেরকে ১৩ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখ পর্যন্ত তিনি পোষ্য ছিলেন মর্মে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত সনদ দাখিল করতে হবে। উল্লিখিত সনদ দাখিল করতে কোন প্রার্থী ব্যর্থ হলে তিনি পোষ্য কোটার পরিবর্তে সাধারণ কোটার প্রার্থী হিসেবে গণ্য হবেন।
(১৭)    নির্বাচিত প্রার্থীকে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাদান সংক্রান্ত বিশেষ ধরণের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। শুধুমাত্র উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদেরকে রাজস্বখাতে সৃজিতব্য সহকারী শিক্ষক পদে নিয়মিত বেতন স্কেলে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ প্রদান করা হবে।
(১৮)    তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচী (পিইডিপি-৩) এর আওতায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার জন্য সৃষ্ট সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ ও চাকুরির ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক আরোপিত শর্তাবলী প্রযোজ্য হবে।
(১৯)    এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কারণে কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা গ্রহণ কিংবা প্রার্থীত পদে নিয়োগ প্রদান করতে বাধ্য থাকবে না।

প্রবেশপত্র ডাউনলোড করুন এখান থেকেঃ

মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০১৫

টেস্টে পাস করতেই হবে

নির্বাচনী (টেস্ট) পরীক্ষায় পাস না করলে চূড়ান্ত পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থীই অংশ নিতে পারবে না। গত মার্চে জারি করা পরিপত্র বাতিল করে সোমবার আরেকটি আদেশ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

আগের পরিপত্রে বলা হয়েছিলো নির্বাচনী পরীক্ষায় পাস না করেও ক্লাসে ৭০ শতাংশ উপস্থিতি থাকলেই এসএসসি ও এইচএসসি মতো পাবলকি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব অসীম কুমার কর্মকার স্বাক্ষরিত নতুন আদেশে বলা হয়েছে, আগের সেই পরিপত্র জারির পর শিক্ষক-অভিভাবক, শিক্ষার্থী-শিক্ষাবিদ এবং সুশীল সমাজের মধ্যে ‘বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হওয়ায়’ তা বাতিল করা করা হলো।


‘বিভিন্ন বিদ্যালয়, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় নির্বাচনী পরীক্ষায় পাস না করলে পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য পাঠানো মোটেই কাম্য নয়। যোগ্যতাহীন অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীকে পাবলিক পরীক্ষায় প্রেরণ করা হলে নিয়মিত ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপর এর বিরূপ প্রভাব পড়বে। এজন্যই পাবলিক পরীক্ষার আগে নির্বাচনী পরীক্ষার আয়োজনের ধারাটি প্রচলিত হয়েছে।’

এতে আরো বলা হয়েছে, ‘শুধুমাত্র ৭০ শতাংশ ক্লাসে হাজিরার ভিত্তিতে নির্বাচনী পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলে লেখাপড়ায় মনোযোগ নষ্ট হবে এবং পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার গুরুত্ব হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা থেকে যাবে। এতে পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।’

তবে অসুস্থতা, দুর্ঘটনা, প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো কারণে কোনো শিক্ষার্থী নির্বাচনী পরীক্ষায় বসতে না পারলে তার আগের ‘অ্যাকাডেমিক রেকর্ড’ ও ক্লাস কার্যক্রমের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান প্রধান চাইলে তাকে পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দিতে পারেন বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।